আগামি শনিবার শুরু হবে জেএসসি এবং জেডিসি সমাপনী পরীক্ষা। তিন বছরে ঝরে পড়েছে প্রায় ৬লাখের বেশি শিক্ষার্থী।

0

আগামি শনিবার শুরু হবে জেএসসি এবং জেডিসি সমাপনী পরীক্ষা। তিন বছরে ঝরে পড়েছে প্রায় ৬লাখের বেশি শিক্ষার্থী।

রিপোর্ট বলছে ২০১৬ সালে যারা পিএসসি পরীক্ষায় অংশ নিয়েছিল তারাই এ বছর জেএসসি পরীক্ষার্থি।২০১৬ সালে পিএসসি মোট শীক্ষার্থীর সংখ্যা ছিল ৩০ লাখ ৩৫ হাজার ২৫০ জন।তবে তারাই এবছর ২৩ লাখ৯৭ হাজার ৫৬০ জন।

জেএসসি ও জেডিসি পরীক্ষাকে সামনে রেখে এক সংবাদ সম্মেলনের আয়োজন করেন শীক্ষামন্ত্রী ড.দিপু মনি।এতে ড.দিপু মনি বলেন-ঝড়ে পরার হার আগের তুলনায় অনেক কম।তবে আমরা এতে সন্তুষ্ট নই।আমাদের আরো উন্নতি চাই।শিক্ষার মান বৃদ্ধিতে আমরা নানা পদক্ষেপ নিচ্ছি।
রেকর্ড অনুযায়ী ২০১৬ সালে নিয়মিত ও অনিয়মিত শিক্ষার্থীর সংখ্যা ছিল ৩০ লাখ ৩৫ হাজার ২৫০ জন। তবে এবছর সেই সংখ্যা দাড়িয়েছে ২৩ লাখ ৯৭ হাজার ৫৬০ জন।অর্থাৎ ৩ বছরে ঝড়ে পড়েছে প্রায় ৬ লাখের ও বেশি শিশু।তবে এর মধ্য অনেকে কারিগরী শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে ভর্তি হয়েছে।অনেকে আবার দারিদ্র্যের কারনে ঝড়ে পড়েছে। শিক্ষা মন্ত্রী বলেন এবার দশম বারের মতো জেএসসি পরীক্ষা হচ্ছে। ২০১০ সালে জেএসসি পরীক্ষার্থী ছিল ১৪ লাখ ৯০ হাজার কিন্তু এবার দিচ্ছে ২৩ লাখ ৯৭ হাজার।
তিনি আরো বলেন শিক্ষার মান অনেক বেরেছে।আমরা আরো বাড়ানোর জন্য নানা পদক্ষেপ নিচ্ছি।যাতে প্রত্যেক শিক্ষার্থী নিজে নিজে তার কর্মসংস্থান সৃষ্টি করতে পারে।
তাছারা শিক্ষার্থী ঝড়ে পড়ার প্রধান কারন হচ্ছে দারিদ্র্য। দারিদ্র্য বিমোচনে বাংলাদেশ সরকার বিনামূল্যে পাঠ্যবই বিতরণ, উপবৃত্তি, বেতন ফ্রী করে দিচ্ছে।
২৫অক্টোবর থেকে ১৫ নভেম্বর সকল কোচিং সেন্টার বন্ধের নির্দেশ দেন শিক্ষামন্ত্রী।কেউ যদি এই আইন অমান্য করে তরে তার বিরুদ্ধে আইনি ব্যাবস্থা নেওয়া হবে।
তিনি বলেন পরীক্ষা শুরু হওয়ার ৩০ মিনিট আগে কেন্দ্র গিয়ে স্ব আসন গ্রহন করতে হবে।
তিনি অভিবাভকদের উদ্দেশ্য বলেন -কোন প্রশ্ন পত্র ফাঁস হয় না।তাই গুজবে কান দিবেন না।প্রতারকরা এভাবে টাকা হাতিয়ে নেওয়ার চেষ্টা করবে।
২নভেম্বর জেএসসি বাংলা এবং জেডিসি কুরআন ও মাজীদ। শেষ হবে ১৩ নভেম্বর।